চট্টগ্রামের ক্রিকেট তারা - আকরাম খানের ক্যাপ্টেন্স নক

18 Jan 2022
চট্টগ্রামের ক্রিকেট তারা - আকরাম খানের ক্যাপ্টেন্স নক

কার্ডিফে মোহাম্মদ আশরাফুলের ১০০ রানের ইনিংস ক্রিকেটামোদিদের স্মৃতিতে উজ্জ্বল। মনের আয়নায় ভাসছে অভিষেক টেস্টে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের ১৪৫ রানের ইনিংস। লর্ডসে তামিম ইকবালের সেঞ্চুরিও স্মরণীয়। বাংলাদেশ ক্রিকেটে সেরা ইনিংসের তালিকা করতে গেলে আলোচনায় আসবে গত বিশ্বকাপে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের জোড়া সেঞ্চুরি। এসব ছাপিয়ে দেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আকরাম খানের ৯২ বলে অপরাজিত ৬৮ রানের ইনিংস।

১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফিতে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে আকরামের ক্যাপ্টেন্স নক ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভিত। কারণ ওই ম্যাচ হেরে গেলে বাংলাদেশের ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপই খেলা হয়না। সে বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাসের দাবী জোরদার করেছিল টাইগাররা। ওয়ানডের পর দ্রুতই টেস্ট স্ট্যাটাস পায় লাল-সবুজরা।

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে ১৭২ রানের টার্গেটে মাত্র ১৭ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের মুঠো থেকে একাই ম্যাচ বের করে আনেন আকরাম খান। তার ইনিংস যে মঞ্চ তৈরি করে দিয়ে গেছে, তার ওপর দাঁড়িয়ে দর্শকদের বিনোদিত করেছেন উপরোল্লিখিত ক্রিকেটাররা। কুয়ালালামপুরে আকরাম খান সে ইনিংস না খেললে বদলে যেতে পারত বাংলাদেশ ক্রিকেটের চিত্রনাট্য। তাই বাংলাদেশ ক্রিকেটে সেরা ইনিংস নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসের প্রশ্নে তা নেই। দেশের ক্রিকেটের গতিপথ বদলে দেয়া সে ইনিংসের রূপকার আকরাম খান চট্টগ্রামের ছেলে।

১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি খেলা দলের সদস্য মিনহাজুল আবেদীন নান্নুও একই জেলা থেকে উঠে এসেছেন। সমসাময়িক জাতীয় দলে খেলেছেন নূরুল আবেদীন নোবেল ও শহীদুর রহমানরা। তাদের পথধরে বন্দর নগরী থেকে উঠে এসেছেন এহসানুল হক, তারেক আজিজ, নাফিস ইকবাল, আফতাব আহমেদ, তামিম ইকবাল। বরাবরই দেশের ক্রীড়াঙ্গন, বিশেষ করে ক্রিকেট সমৃদ্ধ করে চলেছেন এ জেলার খেলোয়াড়রা।

Sponsor

Top